Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

 

 কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম/সেবা

 

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দেশের কৃষির সর্বাঙ্গীন উন্নতির দায়িত্বে নিয়োজিত একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এ সংস্থাটির কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ণের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায় হতে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত কর্মকান্ড বিস্তৃত রয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নতুন কৃষি সম্প্রসারণ নীতিমালার আলোকে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষক ও কৃষির সার্বিক উন্নয়নের জন্য এ অধিদপ্তর বিবিধ পরিকল্পনা ও প্রকল্প প্রনয়ন এবং বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের নিমিত্তে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও অন্যান্য কৃষি সম্পৃক্ত সংস্থার সহিত সমন্বয় সাধন করে উন্নত জাত, কৃষি উপকরণ সরবরাহ, প্রদর্শনী প্লট স্থাপন, প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং সেচ ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে আবাদ ও ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের নানাবিধভাবে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে । এছাড়া কর্মশালা, সেমিনার, মাঠদিবসসহ উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণের মাধ্যমে কৃষকদেরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি উন্নয়ন ও সেবামূলক সরকারী প্রতিষ্ঠান। জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতির আলোকে সকল শ্রেণীর কৃষকদের চাহিদা মোতাবেক কার্যকর কৃষি সেবা প্রদান এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়িত্ব। দেশ বিদেশে গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উদ্ভাবিত কৃষির সর্বশেষ লাগসই প্রযুক্তি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আমাদের দেশে উপযোগী প্রমানিত হলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভিন্ন সম্প্রসারণ পদ্ধতির মাধ্যমে কৃষকদের নিকট পৌছে দেয় ও পরীক্ষামূলক প্রয়োগে উদ্বুদ্ধকরণ এবং প্রহণকালীণ সময়ে যাবতীয় সমস্যার আধুনিক সমাধান দিয়ে থাকে। যার ফলশ্রুতিতে কৃষি প্রবৃদ্ধির হার বর্তমানে আশানুরূপ। কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রতি বছর মানব সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে প্রযুক্তি বিস্তার বাস্তবায়ন কর্মসূচী গ্রহণ করে থাকে।

                   

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নতুন কৃষি সম্প্রসারণ নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পূর্নাঙ্গ ভূমিকা পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো সকল শ্রেণীর চাষীদেরকে তাদের চাহিদা ভিত্তিক ফলপ্রসূ ও কার্যকর সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করা যাতে তারা তাদের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে স্থায়ী কৃষি ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন।